শিরোনাম:

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন দেশের ৩৩ লক্ষাধিক মানুষ

দেশে এ পর্যন্ত ৩৩ লক্ষাধিক মানুষ করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন। টিকার এই ডোজ গ্রহণকারীর সংখ্যা ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ৪২৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২১ লাখ ৭৮ হাজার ১৭৩ এবং নারী ১১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫১ জন।

এদিকে টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৪ জন। এর মধ্যে ৩৬ লাখ আট হাজার ৯২৭ জন পুরুষ এবং নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯২৭।

এ ছাড়া এ পর্যন্ত ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৯ জন মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন বলে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে এক লাখ দুই হাজার ৯১৫ জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৬৪ হাজার ৫৯৫ এবং নারী ৩৮ হাজার ৩২০ জন। আর প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৪৩ জন। এদের সবাই পুরুষ।

এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ২৭ জন। ঢাকা বিভাগে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৮ লাখ সাত হাজার ৯৭৩ জন ও ঢাকা মহানগরীতে নিয়েছেন নয় লাখ ২০ হাজার দুজন।

ময়মনসিংহ বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৪ জন, প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন দুই লাখ ৮৯ হাজার ২৩৩ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ছয় লাখ ৯৮ হাজার ৮৪৯ জন, প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ১১ লাখ ৭৮ হাজার ১৫০ জন।

রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন তিন লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৭ জন, প্রথম ডোজ নিয়েছেন ছয় লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৫ জন। রংপুর বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন দুই লাখ ৯৪ হাজার ১৯৭ জন, প্রথম ডোজ পাঁচ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৩ জন। খুলনা বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন চার লাখ ২০ হাজার ১৯৩ জন, প্রথম ডোজ সাত লাখ ৩১ হাজার ৮৯ জন।

বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ২৮৪ জন, প্রথম ডোজ দুই লাখ ৫১ হাজার ৩৪৫ জন এবং সিলেট বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৮৯ হাজার ৬৯ জন, প্রথম ডোজ তিন লাখ এক হাজার ১৫৬ জন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওই দিন ২১ জনকে টিকা দেওয়া হয়। পরদিন রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে ৫৪৬ জনকে পর্যবেক্ষণমূলক টিকা দেওয়া হয়। এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম টিকা নেয়ার ৬০ দিন পর ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।

দেশে টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।