শিরোনাম:

চট্টগ্রাম নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০ মামলা ও অর্থদণ্ড

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের দশজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

মঙ্গলবার (৪ মে) সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়ন করে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ প্রতিরোধে ১০ অভিযানে ২০ মামলায় ৭৬০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং ৪০০ মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা নগরীর পতেঙ্গা ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৭টি মামলা দায়ের করে ৩৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং সচেতনতার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে ১টি মামলা দায়ের করে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। সচেতনতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান কোতোয়ালী ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১টি মামলা দায়ের করে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে জনসাধারণকে সচেতন করেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন নগরীর পাঁচলাইশ ও চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ২টি মামলা দায়ের করে মোট ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং লকডাউন ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার ব্যাপারে জনসাধারণকে সচেতন করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন নগরীর হালিশহর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১টি মামলা দায়ের করে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ শহরের পাহাড়তলী ও আকবর শাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৩টি মামলা দায়ের করে মোট ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এছাড়াও মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের পক্ষ হইতে মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুসা নাছের চৌধুরী নগরীর চকবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৪টি মামলা দায়ের করে মোট ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এছাড়াও সচেতনতার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী নগরীর বন্দর ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১টি মামলায় ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এ সময় অধিকাংশ সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে দেখেন এবং মাস্ক বিতরণ করেন। এছাড়াও লকডাউন সফল করার লক্ষ্যে সন্ধ্যার পর থেকে আরও দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুল আলম ও প্রতীক দত্ত এর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ বলেন, জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।