জাতীয় চিড়িয়াখানায় জিরাফ পরিবারে নতুন সদস্য

গত আগস্টে জন্ম নিয়েছে নতুন এই জিরাফ। ইতোমধ্যে জিরাফ পরিবারের মধ্যমণি হয়ে উঠেছে এটি। তবে একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের মধ্যে প্রজনন ঘটার ব্যাপারটি আশঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে দুর্বল বাচ্চা প্রসবের পাশাপাশি হুমকিতে পড়ছে জিরাফের প্রজনন ক্ষমতা।

জাতীয় চিড়িয়াখানা পরিবারের নতুন সদস্যটিকে নিয়ে জিরাফ পরিবারে যেন উৎসবের আবহ। প্রতিটি জিরাফই নিজেদের কায়দায় আদর করছে, পরিচয় ও বোঝাপড়া করছে নতুন শাবকের সাথে। বলতে গেলে বেশিরভাগ সময়ই নতুন শাবককে ঘিরে থাকছে অন্যান্য জিরাফ। তবে জন্মের প্রথম ৮ ঘণ্টা মায়ের দুধ পান না করলেও পরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দুধপান শুরু করে শাবকটি।

গত ১২ বছর ধরে জিরাফ শেডে পরিচর্যা করছেন আজগর আলী। তার চোখের সামনেই একের পর এক জিরাফের জন্ম। যমুনা নিউজকে তিনি জানালেন, এ যেন তার জীবনের এক বিশাল আনন্দের উপলক্ষ্য।

খুশির খবর হলো আরেও একটি জিরাফ গর্ভবতী। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী দুই/তিন মাসের মধ্যেই পৃথিবীতে আসবে নতুন সদস্য।

কিন্তু একই পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রজনন হওয়ায় হুমকিতে পুরো জিরাফ পরিবার। নতুন সদস্যের শারীরিক দুর্বলতার পাশাপাশি বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন জাতীয় চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর ড. আব্দুল লতিফ।

জাতীয় চিড়িয়াখানার জিরাফ শেডের ব্যাপ্তি অনুসারে ৮ টি জিরাফ রাখা উচিত। অতিরিক্ত জিরাফগুলোর ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।