শিরোনাম:

টানা তৃতীয়বারের মতো শপথ নিলেন মমতা

বুধবার সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ রাজভবনে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ পাঠ করান। আনন্দবারজ, খরব অনলাইন

দলের অন্যতম জেষ্ঠ্য নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, বরাবরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার হচ্ছেন বিমান বন্দোপাধ্যায়। তবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মন্ত্রী কারা হবেন, তা ঠিক করেবেন তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী গত ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট আট দফায় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান বিরোধীপক্ষ বিজেপি যদিও গত কয়েক মাস ধরে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের।

২০২১ সালের নির্বাচনে বিধানসভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল জয়ী হয়েছে ২১৩টি আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ৭৭টিতে। তবে তৃণমূলের বেশিরভাগ প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হলেও জয় পাননি দলের সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম আসনে নিজের একসময়ের ‘লেফটেন্যান্ট’ এবং বর্তমান বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১ হাজার ৬২২ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।

তাতে অবশ্য তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নেই। কারণ, ভারতীয় সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, বিধানসভার সদস্য না হয়েও কেউ যদি মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন, সেক্ষেত্রে তাকে নিতে হবে রাজ্যপালের অনুমতি।

হেরে যাওয়ার পরও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে এবং দলের বিধায়করা কাউকে নেতা নির্বাচিত করলে তার মুখ্যমন্ত্রী হতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে ভোটে না জিতেও কোনো ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রী হলে তাকে ওই পদে বসার ১৮০ দিন অর্থাৎ ছয় মাসের মধ্যে যেকোনো একটি আসন থেকে জিতে আসতে হবে। তা না পারলে ছেড়ে দিতে হবে পদ।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে এবার ২ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় দুটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি আসনে ছয় মাসের মধ্যে জিতে এলেই মমতার মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার বাধা কাটবে।