শিরোনাম:

ট্রলার ডুবির ঘটনায় উদ্ধা ২০ জনের মধ্যে ১৬ জনই নারী-শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে যাত্রীবোঝাই ট্রলারের সঙ্গে বালুবোঝাই ট্রলারের সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ১৬ জনই নারী ও শিশু রয়েছে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার লইসকা বিলে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চালকসহ ৩ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ষোলাবাড়ি এলাকার আবজল মিয়ার ছেলে ও ট্রলারের মাঝি জামির মিয়া (৩৫), তার সহযোগী কাশেম মিয়ার ছেলে মো. খোকন (২২) ও মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মো রাসেল (১৮)।

২০ জনের পরিচয় জানা গেছে তারা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের চিলোকুট গ্রামের আবদুল্লাহর মেয়ে তাকুয়া (৮), বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের গেরাগাঁও গ্রামের মালু মিয়ার স্ত্রী মনজু বেগম (৬০), একই গ্রামের জজ মিয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪০), তার মেয় মুন্নী বেগম (৬), একই ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী মিনারা বেগম (৪২), সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের জারু মিয়ার মেয়ে শারমীন (১৮), ময়মনসিংহ জেলার খোকন মিয়ার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম (৫৫), বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের চম্পকনগর গ্রামের কামাল মিয়ার মেয়ে মাহিদা আক্তার (৫), পত্তন ইউনিয়নের মনিপুর ৪৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার দক্ষিণ পৈরতলার আবু সাঈদের স্ত্রী মোমেনা বেগম (৫৫), পৌর এলাকার উত্তর পৈরতলার ফারুক মিয়ার স্ত্রী কাজলা বেগম (৩৫), পৌর এলাকার দাতিয়ারা এলাকার হাজী মোবাশ্বের মিয়ার মেয়ে তাসফিয়া মীম (১২), সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের জারু মিয়ার মেয়ে শারমীন (১৮), ময়মনসিংহ জেলার খোকন মিয়ার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম (৫৫), বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের চম্পকনগর গ্রামের কামাল মিয়ার মেয়ে মাহিদা আক্তার (৫), পত্তন ইউনিয়নের বড় পুকুরপাড় এলাকার সোলমান মন্সীর স্ত্রী রবিনা বেগম (৪০)।

আরো রয়েছেন- বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের জহিরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে আরিফ বিল্লাহ (২০), সদর উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের মুরাদ হোসেনের ছেলে তানবীর (৮), একই ইউনিয়নের গাছতলা গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে সাজিম (৭), সদর উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের মুরাদ হোসেনের ছেলে তানবীর (৮), একই ইউনিয়নের গাছতলা গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে সাজিম (৭), পত্তন ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর ছেলে হাজী সিরাজুল ইসলাম (৫৮), একই ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর উপজেলার রামগোয়ালপুর ইউনিয়নের ওড়াকোনা গ্রামের শাওন মিয়ার ছেলে সাজিদ (৩) ও একজন যুবকের (২৩) পরিচয় জানা যায়নি।