শিরোনাম:

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৬০ গ্রামে একদিন আগে রোজা

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রতিবছরের মতো এবারও সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৬০ গ্রামে একদিন আগে রোজা শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) রাতে তারাবির নামাজ ও সেহেরি খেয়ে রোজা শুরু করেছেন তারা।

এ দরবারের অনুসারীরা দীর্ঘ ২০০ বছর ধরে সারা বিশ্বের মুসলমানদের একই সঙ্গে ধর্মীয় অনুশাসন পালনের ধারণা এবং আরব বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে এভাবে রোজা, ঈদ পালন করে আসছেন।

দরবার সূত্র জানায়, মির্জাখীল দরবারের বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীনের (ক.) প্রদর্শিত পথে সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল, সোনাকানিয়া, গারাঙ্গিয়া, চরতি, মনেয়াবাদ, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, আমিলাইশ, খাগরিয়া ও গাটিয়াডাঙ্গা, লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান, বড়হাতিয়া, পুঁটিবিলা, চুনতি ও চরম্বা, বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর, জালিয়াপাড়া, ছনুয়া, মক্ষিরচর, চাম্বল, শেখেরখীল, ডোংরা, আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ, বরুমচড়া, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, বাহুলী ও ভেল্লাপাড়াসহ শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক অনুসারী এক দিন আগে রোজা পালন করছেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি, কক্সবাজার, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, হাতিয়া, নোয়াখালী, চাদঁপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও ভারত, মিয়ারমার, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্নস্থানে যেখানে মির্জাখীল দরবারের অনুসারী রয়েছেন তারাও মঙ্গলবার থেকে প্রথম রোজা পালন শুরু করেছেন।

প্রথম রোজা পালনের ব্যাপারে মির্জাখীল দরবারের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে আমাদের নিকটবর্তী সময়ের কম ব্যবধান বিবেচনায়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের অবস্থান জ্ঞাত হয়ে- মক্কা ও মদিনা শরিফে তথা আরব বিশ্বে চাঁদ দেখার খবর পেয়ে মঙ্গলবার আমাদের প্রথম রোজা পালন শুরু করেছি।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বছরের পর বছর এখানে কিছু গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদ পালন করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নামাজ আদায়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষের জন্য সরকারের যে নির্দেশনা রয়েছে সেগুলো যাতে কঠোরভাবে প্রতিপালন হয় সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে প্রশাসনের।