শিরোনাম:

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু

মানিকগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দবির উদ্দীন নামে এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

দবির উদ্দীন সদর উপজেলার মধ্য পুটাইল গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি মধ্য পুটাইল সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির পুটাইল ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মধ্য পুটাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা খোদেজা আক্তার জানান, দবির মাস্টার গত এক সপ্তাহ ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। সপ্তাহখানেক বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে করোনার উপসর্গ নিয়ে গত সোমবার তাকে মানিকঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

দবির উদ্দীন মাস্টার ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং ১৫ এপ্রিল করোনার দুই ডোজ টিকা নিয়েছিলেন।

দবির হোসেনের ভাই আবির হোসেন জানান, তার ভাইকে গত ২১ জুন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে করোনা ইউনিটের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই করোনা টেস্ট পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২২ জুন করোনা টেস্টের রেজাল্ট আসার আগেই ভোর ৬টার দিকে তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়।

মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ জানান, করোনা প্রতিরোধের প্রথম টিকা নেয়ার পর আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পর তার শরীরে ৭০ ভাগ এন্টিবাওটিক তৈরি হয়। দবির উদ্দীনর ব্যাপারে পরীক্ষা ছাড়া কিছুই বলা যাবে না।