মহানবী সাঃ কে কষ্টদানকারী ব্যক্তির শাস্তি

শাইখ সাইফুল্লাহ মেহেরুজ্জামান:  প্রতিটি মুসলমানদের জীবনে সর্বোত্তম মানব হলেন বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সাঃ)। কোনো মুসলমানের জন্য তাঁরচে’ প্রিয় আর কোনো ব্যক্তি নেই এবং হতেই পারে না। মহান আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি প্রিয় নবী করিম (সাঃ) হলেন মহান আল্লাহর সর্বোত্তম সৃষ্টি । তাঁর ব্যাপারে এটাই চূড়ান্ত এবং শেষ কথা ।

অমুসলিমদের নিকট তা’ মনে না হলেও আমার কোনো দুঃখ নেই। যেহেতু তাঁদের ধর্ম ভিন্ন। আমরা পরকালে বিশ্বাস করি এবং সেখানেই সত্য মিথ্যার ফায়সালা হবে ইন্শাআললাহ ।

◾মহানবী সাঃ বলেছেন, “ তোমরা যতোক্ষণ পর্যন্ত নিজেদের প্রাণের চেয়েও আমাকে অধিক ভালোবাসবে না, প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না ।”
(ছহীহুল বোখারি,ছহীহ মুসলিম ১৭৭)

◾নবী করিম সাঃ কে কষ্ট দেয়া , তাঁকে নিয়ে বিদ্রুপ করা, কার্টুন তৈরি করা হারাম ও কবিরা গুনাহ । এর দ্বারা ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায় । অর্থাৎ মুরতাদ। মুসলিম – অমুসলিম যে ব্যক্তিই মহানবী সাঃ’র কটুক্তি করবে, তাকে হত্যা করা যাবে । এটাই শরিয়তের বিধান।

◾মহান আল্লাহপাক বলেন,
ان الذين يؤذون الله و رسوله لعنهم الله في الدنيا و الاخرة و اعد لهم عذابا أليما
“ যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সাঃ) কে কষ্ট দেয় , তাঁদের উপর ইহ ও পরকালে আল্লাহর লা’নত এবং তাঁদের জন্য রয়েছে লাণ্চনা দায়ক শাস্তির ব্যবস্হা। “ (সূরা আল আহযাব ৫৮)

🔲 রসুল (সাঃ) কে কষ্ট দেয়ার পর যদি তাওবা করে ফিরে না আসে, তাঁদেরকে যেখানেই পাও হত্যা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।
◾আল্লাহপাক বলেন,
ملعونين . أينما ثقفوا اخذوا و قتلوا تقتيلا (সূরা আল আহযাব ৬২)

◾আল্লাহপাক বলেন,
والذين يؤذون رسول الله لهم عذاب اليم
“ যাঁরা আল্লাহর রসুল (সাঃ) কে কষ্ট দেয় , তাঁদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি ।”
(সূরা আত তাওবা ৬১)

আল্লাহর রসুল (সাঃ) কে কষ্ট প্রদানকারী ব্যক্তিকে হত্যা করো । বলেছেন বিশ্বনবী (সাঃ)।
🔲 রেফারেন্স:
ছহীহুল বোখারি ৩৮১১. ৩৮১৩
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৬৪. ৪৩৬৩
সুনানে বাইহাক্বী কুবরা ১৩১৫৪
ফাতহুল বারী ২/২৪৮
আস সারিমুল মাসলুল ১৩৫
সুনানে দারে কুত্বনী ১০৩
المجمع الكبير ١١٩٨٤
🔲 বুলুগুল মারাম ১২০৪

◾সাইয়্যিদুনা আলী রাঃ বলেন, “ যে ব্যক্তি রসুল সা:কে গালি দেয়, তাকে হত্যা করো । যে ব্যক্তি সাহাবীদের রাঃ সমালোচনা করে, তাকে প্রহার করো ।”
جامع الأحاديث ٢٢٣٦٦
جمع الجوامع ٥٠٩٧
🔲 দাইলামী ৩/৫৪১,আস সারিমুল মাসলুল ৯২।