শিরোনাম:

ম্যাচ সমাপ্তিতেও অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আর সাকিব আল হাসানে দিশেহারা অস্ট্রেলিয়া। ২৪ রানের মধ্যে অজিরা শেষ ৮ উইকেট হারায়, যার মধ্যে এই দুই বোলার ৭ উইকেট ভাগাভাগি করেছেন। ১৩তম ওভারে অ্যাগারকে বোল্ড করেন সাইফ। এর আগের ওভারে জোড়া আঘাত করেন। পরের ওভারে এসেই আবারো দুটি উইকেট তুলে নেন সাকিব, প্রথম তিন ওভারে ২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

এই দুই বোলারে কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া, ১৩.৪ ওভারে অলআউট হয় ৬২ রানে। বাংলাদেশ জেতে ৬০ রানে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগে অজিদের সর্বনিম্ন রান ছিল ৭৯, ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৪-১ এ জিতে শেষ করল বাংলাদেশ।

আগের ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ৫০ রান দেওয়া সাকিব এবার চার উইকেট নিয়েছেন। ৩.৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৯ রান দেন তিনি। তিনটি উইকেট সাইফের। ম্যাচসেরা ও সিরিজ সেরার পুরস্কার উঠেছে সাকিবের হাতে।

বাংলাদেশ: ১২২/৮ (২০ ওভার)

অস্ট্রেলিয়া: ৬২/১০ (১৩.৪ ওভার)

ফল: বাংলাদেশ ৬০ রানে জয়ী।

সাইফউদ্দিনের জোড়া আঘাত, সাকিবের সেঞ্চুরি

একই সঙ্গে সাইফউদ্দিন ফিরিয়েছেন অ্যালেক্স ক্যারি ও মোয়াসেস হেনরিকসকে। পরের ওভারেই টার্নারকে ফেরান সাকিব। ইনিংসের ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালেক্স ক্যারিকে অফ কাটারে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। ৭ বলে ৩ রান করেন ক্যারি। এক বল পরেই মোয়েসেস হ্যানরিকসকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন সাইফউদ্দিন। মাত্র ৩ রান করেন হ্যানরিকস। ১২তম ওভারে সাকিব এসে দ্বিতীয় বলে ফেরান টার্নারকে। অফ সাইডে হালকা টার্ন করা বল কাট করতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন টার্নার। ৩ বলে ১ রান করেন টার্নার। এর মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ১০০তম উইকেটের দেখা পেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

বোলিংয়ে এসেই মাহমুদউল্লাহর উইকেট

বোলিংয়ে এসেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাজঘরে পাঠিয়েছেন ম্যাকডারমটকে। আউটের এক বল আগেই ৬ হাঁকিয়েছিলেন; কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন; কিন্তু স্লো বলে ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারেননি। ক্যাচ তুলে দেন মাহমুদউল্লাহর হাতেই। ১৬ বলে ১৭ রান করেন ডারমট।

ওয়েডকে ফিরিয়ে ‘সেঞ্চুরি’র সামনে সাকিব

ম্যাথু ওয়েডকে বোল্ড করলেন সাকিব আল হাসান। ইনিংসের অষ্টম ওভারে বল হাতে নিয়ে উইকটে পান বাংলাদেশি স্পিনার। তাতে ৯৯তম টি-টোয়েন্টি উইকেট পেলেন তিনি। আর একটি উইকেট নিলেই ‘সেঞ্চুরি’ হবে তার। ২২ বলে ২২ রান করেন অজি অধিনায়ক।

নাসুমের স্পিনে ক্রিস্টিয়ানের পর মার্শের বিদায়

স্ট্রেলিয়া ২ উইকেট হারাল ১৭ রানের মধ্যে। দুই ব্যাটসম্যানই নাসুম আহমেদের শিকার। বাংলাদেশের স্পিনার তার দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল মার্শকে এলবিডব্লিউ করেন। অজি ব্যাটসম্যান রিভিউ নিলেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ৯ বলে ৪ রান করেন মার্শ। প্রথম বলেই নাসুম বোল্ড করেন ড্যান ক্রিস্টিয়ানকে (৩)।

নাসুমের প্রথম বলেই বোল্ড ক্রিস্টিয়ান

নাসুমের প্রথম বলেই বোল্ড ড্যান ক্রিস্টিয়ান। অফ সাইডে নাসুমের শর্ট লেন্থের বল দ্রুত খেলতে চেয়েছিলেন আগের ম্যাচে সাকিবের এক ওভারে ৫ ছক্কা হাঁকানো ক্রিস্টিয়ান। এবার আর ভাগ্য সহায় হয়নি, বল ব্যাট মিস আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। নিজের প্রথম বলেই উইকেটের দেখা পেলেন নাসুম। ক্রিস্টিয়ান ৩ বলে ৩ রান করেন।

শেষ দিকে হতশ্রী ব্যাটিং, ১২৩ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

শেষ চার ওভারে হতশ্রী ব্যাটিং করে ১২২ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ চার ওভারে বাংলাদেশ ডট দিয়েছে ১৭টি বল। হারিয়েছে ৩ উইকেট। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ ৬১টি ডট বল দিয়েছে। প্রায় অর্ধেক বলই ডট দিয়েছেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১২২ রানে। সর্বোচ্চ ২৩ রান আসে মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া মাহমুদউল্লাহ ১৯, সৌম্য সরকার ১৬ ও মেহেদী ১৩ রান করেন। ১৬ অভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৫ উইকেটে ১০৫। সেখান থেকে শেষ চার ওভারে মাত্র ১৭ যোগ করতে পারেন মাহমুদউল্লাহরা। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন নাথান এলিস ও ড্যান ক্রিস্টিয়ান। এ ছাড়া ১ টি করে উইকেট নেন অ্যাস্টন টার্নার, অ্যাস্টন অ্যাগার, অ্যাডাম জাম্পা।

 

শেষ ওভারে জোড়া উইকেট

শেষ ওভারে জোড়া উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১১ বলে ১০ রান করে স্কুপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে ধরা পড়েন আফিফ। আর দ্রুত রান নিতে গিয়ে কোনো বল মুখোমুখি হওয়ার আগেই আউট সাইফইদ্দিন।

১৩ বলে ৮ করে বোল্ড সোহান

নাথান এলিসের বলে নুরুর হাসান সোহান সজোরে হাঁকিয়েছিলেন লেগ সাইডে। কিন্তু বল ব্যাটে লেগে সরাসরি যায় স্ট্যাম্পে। ভেঙে যায় উইকেট। ১৩ বলে ৮ আসে সোহানের ব্যাট থেকে।

১৬ রানের বেশি করতে পারলেন না সৌম্য

আগের চার ম্যাচে মোটে ছিল ১২; এবার পঞ্চম ম্যাচে এসে ১৬ রান করে ফিরলেন সাজঘরে। চলতি সিরিজে এটাই সৌম্য সরকারের সর্বোচ্চ রান। ড্যান ক্রিস্টিয়ানকে লং অফে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন টার্নারের হাতে। ১৮ বলে ১৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ফিরলেন মাহমুদউল্লাহও

সাকিব আল হাসানের পথ ধরে এবার সাজঘরে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অ্যাগারের শর্ট লেন্থের বলে তুলে দেন তার হাতেই। ১৪ বলে ১ ছয়ের মারে ১৯ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

 

প্রথম এলবিডব্লিউ হলেন সাকিব

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো লেগ বিফোরের শিকার হলেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পঞ্চম ম্যাচে লেগ বিফোর হন তিনি। ক্যারিয়ারে এই ফরম্যাটে ৮৪ ম্যাচের মধ্যে প্রথম লেগ বিফোর এটি।

 

২০ বলে ১১ রান করে আউট সাকিব

আবারও মন্থর ইনিংস খেলে ফিরলেন সাকিব আল হাসান। আউট হলেন ২০ বলে ১১ রান করে। এর আগের ম্যাচে খেলেন ২৬ বলে ১৫ রানের ইনিংস। আজ জাম্পার বলে হালকা জায়গা সরে লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন সাকিব; বল ব্যাট মিস করে লাগে সামনে পায়ে। জোরালো আবেদনে একটু সময় নিয়ে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেওয়ার চিন্তাও করেননি সাকিব।

বাজে শটে নাঈমের বিদায়

ক্রিজে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি মোহাম্মদ নাঈম। ড্যান ক্রিস্টিয়ানের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন; কিন্তু ধরে পড়ে পয়েন্টে অ্যাগারের হাতে। ১ চার ও ১ ছয়ে ২৩ বলে ২৩ রান করেন নাঈম।

 

চলতি সিরিজে পাওয়ার প্লে-তে সর্বোচ্চ

চলতি সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে এসে পাওয়ার প্লে-কে কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৬ রান তুলে স্বাগতিক দল। ওভার প্রতি তুলেছে ৭.৬৬ রান করে। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ১ উইকেট হারিয়ে ৩০ রান।

 

দারুণ শুরুর পর ফিরলেন মেহেদী

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে টার্নারের করা তৃতীয় বলে সজোরে হাঁকিয়েছিলেন মেহেদী। ব্যাটে-বলে এক হয়নি; হাত থেকে ফসকে যায় ব্যাট। মিড উইকেটে ধরা পড়েন অ্যাগারের হাতে। দারুণ শুরুর পর মেহেদী ফিরলেন ১৩ বলে ১২ রান করে। চলতি সিরিজে এই প্রথম ওপেনিং জুটি থেকে ৪০ এর বেশি রান আসে (৪২)। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ২৪।

ওপেনিংয়ে পরিবর্তন এনে সফল বাংলাদেশ

সিরিজের চার ম্যাচে টানা ব্যর্থ ছিলেন সৌম্য সরকার। মোহাম্মদ নাঈম রানের দেখা পেলেও সৌম্যর ব্যাট ছিল ফাঁকা। পঞ্চম ম্যাচে ওপেনিংয়ে আসেন মেহেদী, নাঈমকে দারুণ সঙ্গ দেন। দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশ চলতি সিরিজে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ রান তোলে। এর আগে নাঈম-সৌম্যর জুটি থেকে আসে সর্বোচ্চ ২৪ রান। ইতিমধ্যে ৩০ এর ঘর পেরিয়ে গেছে। প্রথম ওভারে শেষ বলে অ্যাস্টন টার্নারকে ফাইন লেগে চার মেরে প্রথম বাউন্ডারি এনে দেন মেহেদী। পরের ওভারের প্রথম বলেই অ্যাস্টন অ্যাগারকে ডিপ স্কয়ার লেগে হাওয়ায় ভাসিয়ে আছড়ে ফেলেন বাউন্ডারির বাইরে। জাম্পার করা তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে আবারও বাউন্ডারির বাইরে পাঠান নাঈম, শেষ বলে জাম্পার মাথার ওপর দিয়ে এবার চার হাঁকান মেহেদী। ৩ ওভারে ৩৩ রান করে বাংলাদেশকে ঝড়ো শুরু এনে দিয়েছেন দুজনে।

সৌম্য নয় ওপেনিংয়ে মেহেদী

চার ম্যাচে ওপেনিংয়ে ব্যর্থ ছিলেন সৌম্য সরকার। চার ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে সর্বসাকুল্যে ১২ রান। সর্বোচ্চ করেছেন ৮ রান। এক ম্যাচে ০ আর বাকি দুই ম্যাচে করেছেন ২, ২ রান করে। মেহেদী এর আগে দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিলেন চারে। ঐ ম্যাচে ২৪ বলে ২৩ রান করেন। এবার উঠে এলেন ওপেনিংয়ে। তাকে ৮ নম্বরে ব্যাটিং করতে

 

বাংলাদেশ একাদশ:

বাংলাদেশ একাদশে দুই পরিবর্তন ঘটেছে। আগের ম্যাচের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন শরিফুল ইসলাম ও শামীম পাটোয়ারি। একাদশে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফউদ্দিন।

সৌম্য সরকার, নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

অস্ট্রেলিয়ার একাদশ:

এদিকে অস্ট্রেলিয়া দলেও দুই পরিবর্তন ঘটেছে। জশ হ্যাজলউড ও অ্যান্ড্রু টাইয়ের পরিবর্তে ফিরেছেন অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিস।

অ্যালেক্স ক্যারি, বেন ম্যাকডারমট, মিচেল মার্শ, মোয়েসেস হ্যানরিকস, ম্যাথু ওয়েড, অ্যাস্টন টার্নার, অ্যাস্টন অ্যাগার, মিচেল সোয়েপসন, ড্যান ক্রিস্টিয়ান, অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিস।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ও পঞ্চম ম্যাচে মুখোমুখি বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে।

টানা তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচে জিতে সুন্দর সমাপ্তি চায় বাংলাদেশ।

চোখ রাঙাতে পারে বৃষ্টি

দুপুর থেকেই মিরপুরে থেমে বৃষ্টি দেখা গেছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে সাড়ে ৪টার পর দেখা মেলে রোদের। এখন পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

ব্যাটসম্যানদের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

চার ম্যাচে বোলাররা ছিলেন পিকচার পারফেক্ট। প্রতি ম্যাচে ধ্রুপদী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানকে আটকে রেখেছিলেন তারা। মোস্তাফিজ, শরিফুল, মেহেদী, সাকিবদের বোলিং ছিল একেবারেই নিয়ন্ত্রিত। আঁটসাঁট। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা রীতিমত দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। ওপেনিং নাঈম ও সৌম্য প্রতি ম্যাচেই উইকেট ছুঁড়ে এসেছেন। সৌম্য টানা চার ম্যাচে যেভাবে আউট হয়েছেন তা স্রেফ দৃষ্টিকটু। নাঈম ভরসা হয়ে উঠেও কোনো ম্যাচে বড় কিছু দিতে পারেননি। সাকিবের ব্যাটিং পারফরম্যান্সও ছিল গড়পড়তা। মাহমুদল্লাহ তৃতীয় ম্যাচের নায়ক হলেও মন্থর ইনিংসে একমাত্র ফিফটিটি পেয়েছেন। আগে পরের ম্যাচগুলিতেও দায়িত্ব নিতে পারেননি অধিনায়ক।

ফলে ব্যাটসম্যানরা এবারের সিরিজে নিজেদের ছায়া হয়ে ছিলেন। মাহমুদউল্লাহ শেষটা ভালো করার পাশাপাশি ব্যাটসম্যানদের থেকেও ভালো কিছুর আশায় আছেন, ‘ব্যাটিংটা আমাদের আরও ভালো করা উচিত। শেষ ম্যাচে ব্যাটিংয়ে উন্নতি চাই। ব্যাটিংয়ে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের সেই সামর্থ্য আছে। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে ব্যাটিংটা আরেকটু ভালো করতে পারি।’

সুন্দর সমাপ্তির অপেক্ষায়

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবার দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। টানা তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিতের পর চতুর্থ ম্যাচটা হেরেছে। আজ আনন্দমাখা, সুন্দর সমাপ্তির অপেক্ষায় বাংলাদেশ। কথায় আছে, যার শেষ ভালো তার সব ভালো। সাত দিনের রঙিন উৎসব নিশ্চিতভাবেই অন্যতম সেরা সাফল্য উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে।