শিরোনাম:

যমুনার পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার নিচে, প্রায় ১ লাখ মানুষ পানিবন্দী

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে কমছে অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের দায়িত্বে থাকা গেজ মিটার (পানির সমতল পরিমাপক) আব্দুল লতিফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আব্দুল লতিফ জানান, বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের এলাকাগুলো থেকে এখনও পানি নামেনি। এতে প্রায় ১ লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দী জীবনযাপন করছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। নানান প্রকার পানি বাহিত রোগবালাই ও দুর্ভোগ বেড়েছে বন্যা কবলিতদের।

পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার সদর, কাজীপুর, শাহজাদপুর, চৌহালী ও এনায়তপুরে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। তলিয়ে গেছে এসব অঞ্চলের শত শত একর ফসলি জমি। গো-চারণ ভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। এসব এলাকার বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানি উঠায় বিপাকে পড়েছেন বন্যাদুর্গতরা। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু রাস্তা এবং স্কুল-মাদরাসার মাঠে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও চৌহালী উপজেলায় চাল ও নগদ টাকা সাহায্য দেয়া অব্যাহত