রায়ের দিনও এজলাসে মজনুর ঔদ্ধত্য

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি মজনু রায় ঘোষণার দিনও এজলাসে উগ্র ও সহিংস আচরণ করেছেন।

দেশব্যাপী আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে আজ। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনটার দিকে রায় ঘোষণা করা হয়। এতে মামলার একমাত্র আসামি মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

তবে, রায় ঘোষণার আগে মজনুকে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু, আদালতে নেয়ার পর এজলাসে তোলা হলে সহিংস এবং উগ্র আচরণ করতে থাকেন মজনু। আদালতে নেয়ার পথে মজনু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ করে গালমন্দ করেন। এ সময় মজনু দাবি করেন, সে ধর্ষণ করেনি। ধর্ষণ করেছে অন্যরা। কিন্তু পুলিশ অর্থের জন্য তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে এজলাসে তোলার পর, সে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তাকে মুক্তি দেয়ার কথা বলে। এমনকি মুক্তি দেয়া না হলে আদালত ভবন থেকে লাফ দেয়ার হুমকি দেয়। এ সময়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং বিচারকদের অবিরাম গালমন্দ ও অভিশাপ দিতে থাকে। মজনুর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।

কাশিমপুর কারাগারে থাকাকালে খাবার কষ্ট, মশার উৎপাতের কথা বলে চিৎকার করতে থাকেন মজনু। বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে বিচারকার্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া বাকি সবাইকে এজলাসের বাইরে অবস্থান করতে বলা হয় এবং মজনুকে এজলাস কক্ষে দরজা আটকে রাখা হয়।

চিৎকার ও গালমন্দের এক পর্যায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মজনু।