১০ জেলায় একদিনে করোনায় মৃত্যু ৬১

ডেস্ক রিপোর্ট: শহর ছাড়িয়ে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা। প্রায় ঘরে ঘরে এখন করোনা রোগী। এর বাইরে উপসর্গও রয়েছে অনেকের। কিন্তু নেই প্রশাসনের তদারকি কিংবা বাড়ির সদস্যদের সচেতনতা। পজিটিভ হয়েও চেপে যাচ্ছেন অনেকে, চলাফেরা করছেন অবাধে। শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। বাড়ছে প্রাণহানি। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৬১ জন মারা গেছেন। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঝিনাইদহে ৬২ শতাংশ।
দিন যতই যাচ্ছে, ততই দীর্ঘ হচ্ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা। উত্তর-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলসহ সারা দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। গ্রামের পরিস্থিতি ভয়াবহ হলেও জ্বর-সর্দি, শ্বাসকষ্টজনিত রোগ নিয়েই ঘোরাফেরা করছে মানুষ। শ্বাসকষ্ট বেড়ে হওয়ার পরই ছুটছেন হাসপাতালে।
রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেলসহ হাসপাতালে রোগীদের ঢল নেমেছে। শয্যা আর অক্সিজেন সংকট প্রকট। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ও উপসর্গে ১৪ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে রাজশাহীর ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪, নওগাঁ ৩ ও নাটোরের একজন। নির্ধারিত ৩৫৭ শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪২৩ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বগুড়ায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা: নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে অনেকে জ্বর নিয়েও বাজারে যাচ্ছেন। ঢিলেঢালা লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি উধাও। খুলনার তিনটি হাসপাতালে একদিনে মারা গেছেন ৮ জন। শনাক্ত হার ঠেকেছে ৫৪ শতাংশে।
যশোর ও সাতক্ষীরা
উচ্চঝুঁকিতে থাকা যশোরের অবস্থা বেগতিক। মারা গেছেন ১১ জন। লাগামহীনভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে সাতক্ষীরায়। প্রতিদিনের মতো গত ২৪ ঘণ্টাতেও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গায় গত কয়েক দিন ধরে জেলায় করোনার শনাক্ত হার ৫০ শতাংশ। করোনায় ও উপসর্গে মারা গেছেন ৬ জন।
কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ : কুষ্টিয়ায় একদিনে ৭ জন মারা গেছেন। আর ঝিনাইদহে আক্রান্তের হার ৬২ শতাংশ। মারা গেছেন ২ জন।
এ ছাড়া উত্তরের রংপুর বিভাগেও পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করেছে মৃত্যু ও সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঠাকুরগাঁওয়ে ২ জন ও পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।